divine influence of

Adi Guru shankaracharya


Throughout the course of his early life, Shankara astounded many with his knowledge intelligence. He started writing his own analysis of the Upanishads, Brahma Sutras and the Bhagavad Gita at a young age. Right from his childhood, he was keen on becoming a monk. Though his idea of becoming a monk was opposed by his mother, Shankara knew exactly what he had to do. Once he accompanied his mother to a nearby river and took a plunge into the river. Suddenly, a crocodile appeared from beneath the river and caught hold of his leg. Shankara then cried out to his mother, saying that a crocodile was pulling him into the river. When his mother felt helpless, Shankara urged her to allow him to die as a monk. As soon as Aryamba gave her consent, the crocodile spared Shankara’s life and went back into the river. Shankara was miraculously unharmed and went on to become a monk as his mother had already given him the permission to do so.
At Chatterjee Para, East West Bypass Road Side Island. Howrah

Adi Guru Shankaracharya Temple and astral garden
West Bengal(Howrah)

We the group of astrologers of West Bengal namely Astrology and Astrologers Welfare Association (AAWA),  is going to establish  Adi Guru Shankaracharya Temple and Idol. ( An early 8th century Indian philosopher and theologian who consolidated the doctrine of Advaita Vedanta. He is reputed to have founded four Mathas (“Monasteries”). For the establishment of his Idol and Temple, we are going to organize Bhumi Pujan and Stone Laying Foundation on 1st  March 2020 at 10 am. At Chatterjee Para, East West Bypass Road Side Island.

In pursuance of His divine influence, the ADI Guru Shankaraachaarya Temple and Astral garden Commitee earnestly appeals to all devotees and philanthropists to donate liberally towards this holy Cause and deserving cause of reviving a Temple. Every Donation will be individually acknowledged. The name of donors contributing Rs.11,000 and more will be displayed permanently on a plaque in the temple.

এই মহামানবকে স্মরণ করার জন্য তেমন উল্লেখযোগ্য মঠ বা মন্দির আমাদের ত্রিসীমানায় নেই ।
আমরা হাওড়ার টিকিয়াপাড়া স্টেশন সংলগ্ন চ্যাটার্জিপাড়ায় যে মন্দিরটি করতে চলেছি, তা হবে ধর্ম-ক্ষেত্রে এই সময়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মন্দির।
ইঁট, কাঠ, সিমেন্টের এই যে মন্দির হবে, তার খরচ খরচা বিপুল – এ নিয়ে নিশ্চয়ই কারো সন্দেহ থাকার কথা নয়। আমরা মন্দির নির্মাণের সময় সেই পবিত্রস্থান যাতে পরিবেশ বান্ধবও হয়, সে চেষ্টাও করবো।
ইতিমধ্যেই মন্দির খাতে বিপুল খরচের একটি হিসেব আমরা করে ফেলেছি। তাতে, আমরা মনস্থ করেছি, সাধারণ মানুষের কাছে আমরা যাব – এই মন্দির নির্মাণ কল্পে আর্থিক সাহায্যের জন্য। অসাধারণ এক মহাপুরুষের মন্দিরের নির্মানে যদি সাধারন নাগরিকের কোনও সামান্য অবদানও থাকে, তবেই সেই মন্দির হয়ে উঠবে অসামান্য। তাছাড়া তাঁকেও প্রকৃত সম্মান জানানো হবে বলেই আমরা মনে করি।
আগামী ১ লা মার্চ, এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মারফত মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের পরেই কাল-বিলম্ব না করে আমাদের মন্দিরের কনস্ট্রাকশন শুরু করে দিতে হচ্ছে। কারণ আমাদের টার্গেট আগামী বৈশাখের কোনও এক শুভক্ষণ।
অর্থাৎ সময় মোটেই আর আমাদের হাতে নেই।
আমাদের সদস্যদের সঙ্গে একত্রে আপনারাও এগিয়ে আসতে পারেন এই মহতী উদ্যোগে। মন্দির নির্মানের অনুদানের অন্য অর্থ,
আদিগুরু শংকরাচার্যের বারোশো বছর আগের অসামান্য উদ্যমের সাথী হওয়া। অর্থাৎ হাজার বছর অতিক্রান্ত।এই মহামানবকে শুধু নিয়মিত প্রনাম করার জন্য, তাঁকে স্মরণ করার জন্য – আমাদের সনাতন ধর্মের ভিতরের এক অনন্ত শক্তিকে আত্মস্থ করার জন্য একটি মন্দির খুবই প্রয়োজন।
আমরা জমিটি পাচ্ছি সৌন্দার্যয়নেরই জন্য। আদিগুরুর নামাঙ্কিত মন্দির হয়ে উঠবে – শান্ত, সুশীতল, অনাবিল, আধ্যাত্মিক ও অপূর্ব এক সৌন্দর্যের মিলনক্ষেত্র।
সবাইকে স্বাগত জানাই।
সবাইকে উদারহস্তে মন্দির অনুদান প্রকল্পে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।